স্থাপিতঃ ১৯৬২ খ্রিঃ
EIIN-108730
পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পুলিশ সুপার, ফরিদপুর কর্তৃক পরিচালিত পুলিশ লাইন্স এর অভ্যন্তরে অবস্থিত, বাংলাদেশ পুলিশের একটি শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান। ফরিদপুর শহরের প্রাণ
কেন্দ্রে অবস্থিত, বিদ্যালয়টি ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে
অদ্যাবধি স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ হিসেবে শিক্ষা বিস্তারে অনবদ্য ভূমিকা
পালন করে আসছে। বিদ্যালয়টি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল, খেলাধুলা
ও অন্যান্য সহপাঠক্রমিক কার্যাবলিতে জেলার বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষে
অবস্থান করছে। তৎকালীন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ জনাব এ কে এম হাফিজ উদ্দীন ৩১
জুলাই ১৯৬২ সালে বিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন। ১৯৬২ খ্রি. থেকে ১৯৮০ খ্রি. পর্যন্ত
বিদ্যালয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে পরিচালিত হয়। ০১ জানুয়ারি ১৯৮১ সালে
বিদ্যালয়টি জুনিয়র হাই স্কুল হিসেবে উন্নীত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে ১৯৯১ খ্রি.
পর্যন্ত পুলিশ সদস্য দ্বারাই বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যার ফলশ্রুতিতে দীপ্তমান আজকের এই পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
০১ জানুয়ারি
১৯৯৫ খ্রি. বিদ্যালয়টি পুলিশ লাইন্স হাই স্কুল হিসেবে উন্নীত হয়। বাংলাদেশ
পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও জেলা পুলিশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বর্তমানে
প্রতিষ্ঠানটি একটি আদর্শ ও উন্নতমানের বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে। ২০১৫ খ্রি. হতে
বিদ্যালয়টিতে ডাবল শিফ্ট চালু হয়। প্রভাতী শাখায় শিশু শ্রেণি হতে তৃতীয় শ্রেণি
পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী ও চতুর্থ শ্রেণি হতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রী, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির
ছাত্র-ছাত্রী এবং দিবা শাখায় চতুর্থ শ্রেণি হতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র অধ্যয়ন
করছে। পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শাহজাহান, পিপিএম এর ঐকান্তিক
প্রচেষ্টায় ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ হতে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কার্যক্রম
আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
বিদ্যালয়ের
কার্যক্রম ও নিরাপত্তা সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
ক্লাসের পড়া ক্লাসেই প্রস্তুত করার প্রত্যয়ে এখানে সর্বাধিক শ্রেণি কার্যক্রম
পরিচালনা করা হয়। এখানে রয়েছে আধুনিক মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ,
আধুনিক লাইব্রেরি ও ডিজিটাল হাজিরা। এছাড়াও এসএমএস এর মাধ্যমে
অভিভাবকের নিকট শিক্ষার্থীর ফলাফল সংক্রান্ত তথ্য ও অনুপস্থিত বার্তা প্রেরণ করা
হয়। এখানে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিশেষ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা
বজায় রাখা হয়। সর্বোপরি বিদ্যালয়টি পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় পরিচালিত
বিধায় শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় এটি একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয় ও বিদ্যালয়ের
বাইরে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে একজন শিক্ষার্থীকে নৈতিক ও জীবনমুখী শিক্ষাদানের
মাধ্যমে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
উন্নয়নধারা
প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত উন্নীত হয়ে আজ এটি
একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।